Showing posts with label Organon of Medicine. Show all posts
Showing posts with label Organon of Medicine. Show all posts
Tuesday, July 26, 2016
Aphorism-9 : জৈব শক্তি (Vital Force)- জীবনীশক্তির প্রভাবে দেহ গতিশীল থাকে ও বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ঐক্যবিধান সম্ভব হয়।
মানুষের সুস্থ্য অবস্থায় আত্মাস্বরূপ জীবনীশক্তি, যে শক্তি আমাদের স্থ’ল দেহকে সঞ্জীবিত/প্রানবন্ত রাখে, সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে অপ্রতিহত শক্তিকে শাসন করে এবং দেহতন্ত্রের সকল অংশকেই কি ইন্দ্রিয়সাধনে, কি যান্ত্রিক কাজে এমন সুন্দরভাবে পরস্পর পরস্পরের সাহায্যে জীবনকার্য পরিচালনায় রত রাখে যে, আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন মন নির্বিঘেœ এই সচেতন ও সুস্থ্য দেহরূপ যন্ত্রকে জীবনের মহত্তর উদ্দেশ্যসাধনে নিযুক্ত করতে সমর্থ হয়।
Monday, July 25, 2016
Aphorism-7 : লক্ষণ সমষ্টি- Totality of Symptoms (লক্ষণসমষ্টিই উপযুক্ত ঔষধ নির্বাচনের একমাত্র নির্দেশিকা।)
রোগের কোন স্পষ্ট উত্তেজক বা পরিপোষক কারণ দূর করবার না থাকলে রোগের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলি ছাড়া আর কিছুই বোঝা যায় না। সুতরাং যা রোগ সৃষ্টি করে তার অস্তিত্ব বিবেচনা করলে জানা যায় যে, উক্ত লক্ষণগুলি দ্বারাই রোগ ঔষধ প্রার্থনা করে এবং রোগীর শান্তির প্রকৃত ঔষধ নির্দিষ্ট করে দেয়। ঐ সমস্ত লক্ষণের সমষ্টি কিংবা আভ্যন্তরীক রোগের বা জীবনীশক্তির আক্রান্ত অবস্থার এই বাহ্যিক প্রতিমূর্তি দ্বারাই রোগ প্রয়োজনীয় ঔষধের চাহিদা জানাতে পারে। অর্থাৎ প্রত্যেক রোগের অস্বাভাবিক লক্ষণসমষ্টিই চিকিৎসক প্রধানতঃ লক্ষ্য করেন এবং তিনি তা কৌশলে দূর করে রোগের আরোগ্য ও স্বাস্থ্যে পরিবর্তিত করেন।
Sunday, July 24, 2016
Aphorism-6 : লক্ষণ সমষ্টি- Totality of Symptoms (চিকিৎসককে বুঝতে হবে যে, রোগ হচ্ছে কতকগুলো লক্ষণের সমষ্টি।)
অতীন্দ্রিয় (চোখ-কান-নাক-জিহবা-ত্বক দ্বারা যা অনুভব করা যায় না) মতবাদগুলি পরীক্ষা দ্বারা চাক্ষুষ প্রমাণ করা যায় না বলে- যে সব দর্শকের মনে কোন কুসংস্কার নেই, তাঁরা যতই সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করুন না কেন- প্রত্যেক রোগের ক্ষেত্রে রোগীর মনে ও দেহের সুস্থ্য অবস্থা হতে যে পরিবর্তন হয়েছে (অস্বাভাবিক ঘটনাবলী, আকস্মিক কষ্টকর লক্ষণ) যেগুলি বাহ্যিকভাবে ইন্দ্রিয় দ্বারা বোঝা যায়, সেইগুলি ছাড়া তারা আর কিছুই লক্ষ্য করেন না। অর্থাৎ সুস্থ্য অবস্থায় লোকটির যে যে স্বাভাবিক অবস্থা ছিল, এখন রোগে সেই সেই অবস্থার যে যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন রোগী নিজে অনুভব করছে, তার সেবা শূশ্রুষাকারীগন দেখতে পাচ্ছেন এবং চিকিৎসক যা উপলব্ধি করছেন, তাই তিনি (কুসংস্কারবিহীন দর্শক) লক্ষ্য করেন। এই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য লক্ষণগুলি সম্পূর্ণভাবে রোগ প্রকাশ করে। কেবল এই সকল লক্ষণসমষ্টি দ্বারাই আমরা রোগের প্রকৃত চিত্র অঙ্কন করতে পারি।
Aphorism-5 : উত্তেজক ও মূলকারণসমূহ- Exciting & Fundamental Causes
কি চিররোগ, কি অচিররোগ আরোগ্য করতে হলে চিকিৎসককে রোগের প্রধান কারণ বের করতে হবে। আর সে কারণেই অচিররোগের সর্বাপেক্ষা সম্ভাব্য উত্তেজক কারণের বিবরণ এবং চিররোগের বিস্তৃত ইতিহাস থেকে বিশেষ বিশেষ লক্ষণগুলি লক্ষ্য করতে হবে। এই সকল রোগের প্রধান কারণ প্রায়ই চিররোগউৎপাদিকা শক্তি/ক্রণিক মায়াজম। এই সকল বিষয় অনুসন্ধান করতে রোগীর শারীরিক গঠণ (বিশেষ করে পুরাতন রোগে), তার মানসিক ও চরিত্রগত বিশেষত্ব, তার জীবিকা, তার জীবন-যাপন প্রণালী ও অভ্যাস, তার সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক, তার বয়স, যৌন অবস্থা ইত্যাদি সকল বিষয়ই বিবেচনায় আনতে হবে।
Aphorism-3 : প্রকৃত চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্যরক্ষক- True Physician and Preserver of Helth
রোগে অর্থাৎ প্রত্যেকটি রোগীর ক্ষেত্রে (রোগ সম্বন্ধে জ্ঞান, সংকেত) কি আরোগ্য করিতে হইবে তাহা যদি চিকিৎসক পরিষ্কারভাবে বুঝিতে পারেন, ঔষধের আরোগ্য শক্তি কি (ঔষধের শক্তি সম্বন্ধে জ্ঞান) তাহা যদি তিনি উত্তমরূপে জানেন, স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যাত মূলনীতি অনুসারে রোগীদের মধ্যে রোগ বলিয়া যাহা নিঃসন্দেহে জানা গিয়াছে তাহার উপযোগী করিয়া ঔষধের আরোগ্যকারী শক্তিকে কিভাবে প্রয়েঅগ করিতে হইবে তাহা যদি জ্ঞাত থাকেন, তবে নিশ্বয়ই আরোগেঃ্যর সূত্রপাত হইবে। ঔষধের কার্যকারিতা অনুযায়ী রোগের সর্বাপেক্ষা উপযোগী ঔষধ প্রয়েঅগ করিতে হইবে (ঔষধ নির্বাচন, সূচিত ঔষধ)। ঔষধ প্রস্তুত করিবার সঠিক পদ্ধতি কি এবং কি পরিমাণ ঔষধ প্রয়োগ করিতে হইবে (যথাযথ মাত্রা), তাহাও জানিতে হইবে। মাত্রা পুনরায় প্রয়োগ করিবার সঠিক সময় সম্বন্ধে জ্ঞান থাকে হইবে। সর্বোপরী প্রত্যেকি রোগীর ক্ষেত্রে আরোগ্যের পথে যে সব প্রতিবন্ধকতা আছে উহাদের কিভাবে দুর করিয়া আরোগ্য স্থায়ী করিতে হইবে সেই বিষয়ে তাঁহার অভিজ্ঞতা থাকা নিতান্ত প্রয়োজন। সম্যকভাবে এইসব্ অবগত থাকিলে তাঁহাকেই যক্তিবাদী চিকিৎসক বলা হয়। তিনিই আরোগ্য কলার প্রকৃত আরোগ্য বিধায়ক।
Subscribe to:
Posts (Atom)

