Showing posts with label Materia Medica. Show all posts
Showing posts with label Materia Medica. Show all posts

Tuesday, July 26, 2016

Argentum Nitricum


আর্জেন্ট নাইট ত্রস্ত-ব্যস্ত, উত্তেজনায় মল,
অসহ্যেও মিষ্টি লিপ্সা, মলের রং বদল।
স্বরভঙ্গে কাটার ব্যাথা, মলের সাথে বায়ু,
গরম কাতর মাথা বাঁধে চুলকায় নাক পায়ু।।
 
উৎসঃ- খনিজ।
ক্রিয়াস্থলঃ- অকাল বার্ধক্য, অতিরজঃস্রাব (বিধবা ও বন্ধ্যার), আসাড়ে প্রস্রাব, আক্ষেপ, আমাশয়, উদরাময়, উদরশূল, উদ্গার, কষ্টকর সহবাস, কোষ্ঠবদ্ধতা, গর্ভস্রাব প্রবনতা, গর্ভাবস্থা, চোখ ওঠা, চক্ষু পদ্রাহ, জরায়ুর অর্বুদ, তামাক খাওয়ার কুফল, ধ্বজভঙ্গ, পক্ষাঘাত, পাকাশয়ে ক্ষত, পিত্তবমি, পুঁয়ে পাওয়া, পেটফাঁপা, প্রদর স্রাব, মাথা ঘোরা, মাথা ব্যাথা, মানসিক লক্ষণ, মৃগী, যোনীদেশের রক্তস্রাব, স্বরভঙ্গ, হরিৎপীড়া।
কাতরতাঃ- গরম কাতর।
ক্রিয়ানশকঃ- কফি, দুধ, নেট্রাম মিউর।
ক্রিয়াকালঃ- ৩০ দিন।
হ্রাসঃ- মুক্ত বাতাসে, স্নানে, শক্ত বন্ধনে ও সঞ্চালনে।
বৃদ্ধিঃ- অন্ধকার ঘরে, ঠান্ডা খাদ্যে, মিষ্টান্ন, কুলপি বরফে, ব্যায়ামে, ডানপাশে শয়নে, লোক সমাগমে, মানসিক পরিশ্রমে ও আহারের পরে।

 বিশেষ লক্ষণ (Characteristic Symptoms)-

  1. পেট বায়তে পরিপূর্ণ হওয়া ও অথ্যন্ত ফুলিয়া উঠা,  মনে হয় যেন পেট ফাটিয়া যাইবে।
  2. ঢেকুর তুলিতে চেষ্টা করিলে কষ্টের সহিত উঠে।
  3. অত্যন্ত কষ্টদায় খেঁচুনি তাহার পূর্বেই রোগী মনে করে, মুখ ও মাথা যেন ফুলিয়াছে।
  4. একটি spasm চলিয়া গেলে সঙ্গে স্েগ আর একটি হওয়া পর্যন্ত রোগীর অনবরত নড়া চড়া ও ছটফটানি।
  5. দিবারত্রি আসাড়ে প্রস্রাব নিঃস্বরন।
  6. পদদ্বয়ে অত্যন্ত দূর্বলতা।
  7. গলার ভিতর যেন কাঠি দ্বরা খুঁচিতেছে এইরূপ বোধ।
  8. অত্যান্ত বিষাদ ও স্মৃতিশক্তির লোপ কোন বিষয়ে মনঃসংযোগ করিতে পারা যায় না সমান্য কারনেই যেন ক্লান্ত হইয়া পড়িতে হয়।
  9. মাথাঘোরা, চক্ষু বুঝিয়া কিম্বা অন্ধকারে বেড়াইতে চেষ্টা করিলেও মাথা ঘোরা।
  10. আধ কপালে মাথাধরা, মাথায় কিছু জোরে বাঁধিলে কথাঞ্চিত উপশম বোধ।
  11. মস্তিষ্কের বাম ভাগে কাটা কিম্বা খোঁচামারার মত ব্যাথ, বিশেষতঃ অক্সিপট অস্থি হইতে ফ্রন্টাল অস্থি পর্যন্ত যেন ঔ ব্যাথা বিস্তৃত হয়।
  12. কর্ণশূল-পুরাতন কান পাকা, সেই সঙ্গেকর্ণবিবরে একজিমা, কাণ ভোঁ ভোঁ করা সাতিশয় দূব্র্বলতাও সব্র্বশরীরের কম্পন, ফাইফস জ্বরের পর সম্পূর্ণ বধিরতা।
  13. অত্যন্ত পুঁজযুক্ত কনজিংটিভাইটিস নূতন বা পুরাতন কনজিংটিভাইটসের অথ্যধিক বৃদ্ধি ও সেই হেতু পুঁজ ও পিঁচুটিতে চক্ষু জুড়িয়া যাওয়া, চক্ষু রক্তবর্ণ হয় ও যন্থণা বৃদ্ধি হয়।
  14. শিশুদের চক্ষু রোগ।
  15. নাসিকর সেপ্টমে ক্ষত ও সেই হেতু পুঁজ ও রক্থনিঃসরণ এবং নাসিকায় কোন গন্ধ পাওযা য়ায় না।
  16. দন্তশূল ঠান্ডা জল, লাগিলে বৃদ্ধি টাইফয়েড় জ্বরে দাঁত কৃঞ্ষবর্ণ ধারণ করে, মাড়ী হইতে সহজে রক্থ পড়ে।
  17. মুখ ও জিহ্বায় ক্ষত।
  18. ঢেকুর উঠিলে পেট ফুলার কদাঞ্চিত উপশম।
  19. পাকস্থলীর নিম্নাংশে স্ফিত।
  20. আহারের অব্যবহিত পরেই পেটে বেদনা এবং যতক্ষণ পেটে ভুক্তদ্রব্য থাকে, ততক্ষণ বেদনা থাকে।
  21. আহারের পর এক ঘন্টার মধ্যেই বমন, অজীর্ণ রোগ ও গ্যাসটিক ক্ষত, প্রত্যক বার আহারের পর পেটে দবেদনা ও সই সঙ্ড়ে ঘন ঘন ঢেঁকুর উঠা বেদনা অনেক সমেয় পেট হইতে বক্ষদেশ পর্যন্ত বিস্তুত হয় এবং তাহাতে সময়ে সময়ে হৃৎস্পন্দনও উৎপাদিত হয়।
  22. অর্জর্ণ রোগ. েপেট ফোলা, পেট ডাকা সেই সঙ্গে হৃৎস্পন্দন।
  23. লিভার প্রদেশে ছুরি দিয়অ কাটার মত বেদনা।
  24. উদরাময় ও আমায়ে তরল পদার্থ পানের পর বাহ্যের বৃদ্ধি ও রে াগী মনে হয় যেন বাহ্য পানাহর করিতেছে তাহােই নামিয়া যাইতেছে।
  25. শিশু কলেরা, আমায় ও রক্তামাশয়।
  26. প্রস্রাবের সয় জ্বালা মনেয় যেন ইউরিথ্রা ফুলিয়াছে ও প্রস্রাবের শেষ বিন্দু যেন ইউরিথায় রহিয়া গেল।
  27. ডায়েবেটিস, সেই সঙ্গে পেটে বায়ুসঞ্চয় ও অজীর্ণ রোগ।
  28. ধ্বজভঙ্গ লিঙ্গ যেন শুকাইয়া ছোট হইয়া যায়।
  29. গণোরিয়া রোগ- প্রস্রাবের সময় জ্বালা, রক্ত প্রস্রাব ও পুঁজের মত স্রাব।
  30. রক্ত প্রদরের সহিত ডান ওভেরিতে কাটিয়া ফেরা মত ব্যাথা, নিয়ামিত সময়ে পূর্বে রজঃস্রাব হয়, উহা পরিমানে অধিক ও বহুদিন স্থায়ী হইয়া থাকে।
  31. ইউট্রাস হইতে রক্তস্রাব, সেই সঙ্গে মাথাব্যাথা, নড়িলে চড়ি০লে উহার বৃদ্ধি। স্বামী সহবাসে বেদনানুভব, ইউযট্রাসে ক্ষত, সামান্য স্পর্শনেতথা হইতে রক্তস্রাব, ইউট্রাসের প্রোল্যাপ্স সেই সঙেৃ্গ অস ও সার্ভিক্সের ক্ষত।
  32. প্রসুতির কলভলসন, অজীর্ণরোগগ্রস্ত স্ত্রীলোগদিগের ঘন ঘন গর্ভস্রাব।
  33. ঘন ঘন কাশি উহা প্রথমে শুষ্ক পরে সরল।

Silicea

Silicea/Silica Source : Mineral Source/Chemical Source (খনিজ উৎস) । 
Sensitive (সংবেদনশীলতা/ অনুভূতিসম্পন্ন) : Chilly Patient (+++)-শীতকাতর। 
Prover : Hahnemann-সহ অনেকেই। 
Miasm : Psoric(+),Sycotic(++),Spilitic(+++),Tubercular. Constitution (ধাত্) : Scrofulas Constitution (স্ক্রফুলা-ধাত্)। 
Observation : শিশুদের পেটটি মোটা ও শক্ত (ক্যালকেরিয়া কার্ব), পা সরু, বিলম্বে চলতে শেখে, মাথা শরীরের গঠন অপেক্ষা বড়,মস্তিষ্কের অস্থিরাজী ভালভাবে জোড়যুক্ত নয়। মুখমন্ডল চিকন, রক্তহীন, ফ্যাকাশে, ক্লান্তভাবযুক্ত, গৌরকান্তি, শুষ্ক গাত্রচর্ম। শিশু দেখতে অনেকটা বাঁদরের ন্যায় অর্থাৎ মুখটা শুষ্ক ও চিমসে।শিশু দেখতে বৃদ্ধের ন্যায়। 
Side : Right Side(++),Left Side(++),Upper part in RT side,Lower part in Left side.Left lower,RT upper,cross wise(আড়াআড়ি)। 
Sex : Male, Female, Child. Only polycrest remedy. 

Exciticing cause/Causation : 
1.অত্যাধিক মানসিক পরিশ্রম হেতু পরবর্তী কর্মে অবতীর্ণ হতে না পারা। 
2.দেহে কোন গোঁজ বা কাঁটা বা হাড়ের টুকরা ঢুকে গেলে তা বের করতে (এনাগ্লেজ দেহ থেকে মাছের কাঁটা বের করে দেয়,নেট্রাম সালফ দেহ থেকে পানি বের করে দেয়,কার্সিনোসিন দেহ থেকে বুলেট বের করে দেয়)।
3.Vaccine-এর কারণে কোন সমস্যার সূত্রপাত (Thuja).যেমন-ফোঁড়া,উদরাময়। 
4.দুধ খাওয়ার পর উদরাময় দেখা দিলে। 
5.ঘর্ম বিশেষত: পদঘর্ম অবরুদ্ধ হয়ে কোন রোগ দেখা দিলে। 
6.পাথরকাটার কাজ যারা করেন তাদের Chest-এর যে কোন ধরণের Disease-এ।(পাথরের খনিতে,শীলপাটা প্রস্তুতের কারখানায় যারা কজ করেন)। 
7.সামান্য আঘাতের কারণে Skin-এ Suppuration(পূজৎপত্তি)-দেখা দিলে। 
8.লেখক কেরনিদের হাত কাপায়। 
9.বাহির হতে কোন দ্রব্য চোখে পড়ার কারণে/ফলে চোখে কোন রোগ দেখা দিলে (Heper)। চোখে চুন পড়লে-Causticum. 

Mental Symptoms (মানসিক লক্ষণ): 
দৃঢ়তার অভাব।অস্থিরতা, অধৈর্য বা আশংকাপরায়ণতা। নিজের সম্পর্কে বদ্ধমূল ধারণা। সে নিজেকে যা ভাবে,অন্যরা তাকে তাই ভাবুক-এটাই সে চায়। Carsinocin-এর patient-রা মনে করে সবাই তাদেরকে আদব-কায়দা এবং পড়াশুনায় ভাল বলুক। মূল লক্ষণ yielding এবং mildness. ...................yieldingএবং obstinate-এর combination-ও দেখা যায়। দৃষ্টিভঙ্গি সাইকোটিক,তাই তেমন বেশী Destractive-আচরণ থাকছে না। অস্থিরতা,চঞ্চলতা,উত্তেজনাপ্রবণতা,সামান্য শব্দেও চমকে উঠে/চমকায়-(থেরিডিয়ান)। ধারালো চাকুর ভয়, সূচের ভয়,সংকীর্ণ জায়গায় ভ্য়,এরোপ্লেনে চড়ার ভয়,অসুখের ভয়,মৃত্যুভয়,ইনজেকশন নিতে ভয়। Refined-মানেই পরিশুদ্ধ,পরিশীলিত।মানুষের অনুকরণীয় গুণাবলীর সমাহার।সম্ভ্রান্ত বংশের ছেলেমেয়েদের মধ্যে Silicea-বেশি দেখা যায়।এরা প্রচুর ভুল করে কিন্তু বুদ্ধিমত্তা বেশি বিধায় ভুলে যায় না। ধনলিপ্সা(Ars,Puls-1st grade).প্রচুর দরকষাকষি করে-এ লক্ষণে সাইলিসিয়া ফাস্ট গ্রেড।Shy বা লাজুকতা,চিকিত্সককে সরাসরি জবাব প্রদানে লাজুকতা। সংসারী মানুষ,ভবঘুরে নয়।কেউ কেউ একরোখা হতে পারেন এবং স্বাধীনচেতাও হতে পারেন। পূর্বানুমানের কারণে রোগ। উদ্বেগ,পরীক্ষার আগে। ভয়,ব্যর্থতার। ভ্রান্তবিশ্বাস,সে ব্যর্থ হবে। Lyco-টিকে থাকা নির্ভর করে লক্ষ্য অর্জনের উপর। Silicea-টিকে থাকা নির্ভর করে নির্ধারিত ইমেজটি পূর্ণ করার উপর। সে সম্পূর্ণভাবে অন্য কারো পরামর্শে চলতে চায়।অন্যদিকে নিজস্ব মতামতের প্রতি সে এত বদ্ধমূল থাকে যে ,কেউ তার বিরোধিতা করলে সে উন্মত্ত আচরণ করে : "বিরোধিতা সহ্য করতে পারেনা,প্রচন্ড আচরণ থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রিত রাখতে হয়।"সাইলিসিয়া খোলাখুলিভাবে বিদ্রোহ করে না,তবে নিজের মতের উপর দৃঢ় থাকে।স্যামুয়েল ব্লাটার বলেন : "নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ বুঝালে সে বুঝে কিন্তু নিজের মতেই থাকে।" সাইলিসিয়া এবং ইগ্নেসিয়াতে,"সামান্য ব্যাপারে বিবেক দংশন"- আছে। সে বুদ্ধিমান।নরম/ শান্ত প্রকৃতির এবং আত্নকেন্দ্রিক হয়। এটি একাকীত্ব নয়।অবস্থা পক্ষে বা অনুকূলে থাকলে তারা নিজেদের বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলতে পারে।তারা কখনো নির্ভরশীল হয়না কিংবা চিকিত্সকের কাছে সময় চায় না।সাইলেসিয়া রোগীরা ক্লান্ত।তাদের অদম্য শক্তির অভাব; বিশেষ করে মানসিক কাজের বিষয়ে।অতএব, তারা তাদের শক্তিকে সংরক্ষণ করতে শেখে।তারা নিজেদেরকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ব্যস্ত রাখে এবং অপ্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে না।তারা তাদের অধিকার নিয়ে অত্যন্ত কমই দাবী তোলে।তাদের সুনির্দিষ্ট কুসংস্কার থাকতে পারে,যে বিষয়ে তারা সচেতন নয় ; যেমন-"যে কোন অবস্থায় যৌনতা পাপের কাজ"। প্রবাসভীতি।এরা অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম করে মদ্যপান করে। 

অসাধারণ লক্ষণ : 
১. এ ঔষধটির একটি অদ্ভূত লক্ষণ আলপিন বা পেরেক বা সূচালো বস্তু এমনকী মাছের কাঁটাকে সাংঘাতিক ভয় করে।গলায় কাঁটা ফুটার ভয়ে অতি সাবধানে মাছ বেছে খায় অথবা মাছ খাওয়াই বাদ দেয়। 
২. সাইলিসিয়া রোগীর আরো একটি অদ্ভুত লক্ষণ হলো ক্যালি বাইক্রমের রোগীর মত-জিহ্বার উপরে একটি চুল লেগে থাকার অনুভূতি। 
৩. হাতে,বগলে,পায়ের পাতায় এবং পায়ের আঙুলে ভয়ানক দুর্গন্ধ ঘাম। 
৪. প্রস্রাব করলে মাথার যন্ত্রণা কমে। 
৫. শিশুকে স্তন পান করানোর সময় যোনি পথে রক্তস্রাব(Bleeding)-হতে থাকে। 
৬. নিজের যৌবন কালের স্বপ্ন দেখে (Dreams of his youth).

সাইলেসিয়া প্রয়োগে সতর্কতা :
১) Heart-এ রিং পড়ানো থাকলে Silicea-দেওয়া যাবেনা।
২) দেহে Splinter (স্প্লিনটার)-থাকলে (বোমা বা ককটেলের)-Silicea দেওয়া যাবে না।
৩) ক্ষয়রোগ এবং ক্ষয়রোগের পূর্বে খুবই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়।
৪) যেহেতু গভীরতার দিক দিয়ে এর সমকক্ষ ঔষধ খুবই কম তাই পুনঃপুনঃ প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৫) ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়।ডায়াবেটিসে আক্রান্ত কারো পায়ে গোঁজ ঢুকলে Silicea-প্রয়োগ করলে পচন শুরু হয়ে গ্যাংরিনে রূপ নিতে পারে।তাই ডায়বেটিস অবস্থায় এ ঔষধটি ব্যবহারে খুবই সতর্ক থাকতে হবে।
৬) গর্ভবতী (Pregnant)-মহিলাদের দিলে গর্ভপাত (Abortion)-হয়ে যেতে পারে।
---------------------তাই উপরোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে যদি একান্তই সাইলিসিয়া প্রয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে তখন তা প্রয়োগ করতে হবে অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাত্রায় এবং ব্যবহার করতে হবে পঞ্চাশ সহস্রতমিক ঔষধ।
এতক্ষণ যা বললাম,এগুলো কথার কথা।চাইলে ,আপনারা এর বিপরীতে মন্তব্য করতে পারেন।বিষয়টিকে আপনাদের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
 
Collected from Dr. Fayek Enam Face book post.

Monday, July 25, 2016

Baptisia Tinctoria

ব্যাপটিসিয়া দ্রুতগামী দুর্বলতা, নিদ্রাচ্ছন্ন,
মল-মূত্র-শ্বাস দুর্গন্ধ, ভাবে অঙ্গ বিচ্ছিন্ন।
অঙ্গে ব্যাথা, অস্থিরতা, কুকুর কন্ডলী শয়নে,
মলত্যাগ শেষে কুন্থন, আমাশয় শরৎকালীনে।
 
উৎসঃ- খনিজ।
ক্রিয়াস্থলঃ- আসাড়ে বাহ্য, উদরাময় (শিশুদের) গর্ভস্রাবের উপক্রম, গলক্ষত, টনসিল, টাইফয়েড, রক্ত আমাশয় (বৃদ্ধদের), সূতিকাজ্বর।
কাতরতাঃ- শীতকাতর।
ক্রিয়ানশকঃ- ক্যম্ফর, নাক্স।
ক্রিয়াকালঃ- ৬-৮ দিন।
হ্রাসঃ- কুকুর কন্ডলী হয়ে থাকলে।
বৃদ্ধিঃ- রাতে, জ্বরের তৃতীয় দিনে, পেট ফুলে উঠে মখে দারুন দুর্গন্ধ, পুঁজে দুর্গন্ধ থেকে রোগ বৃদ্ধি।

 বিশেষ লক্ষণ (Characteristic Symptoms)-

  1. জ্বর-বিকার (Typhoid Fever)- বিকারে আচ্ছনতা- সেই সময়ে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলে রোগী জবাব দিতে দিতেই নিদ্রাাভিভুত হয়।
  2. রোগী মনে করে তাহার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সকল বিচ্ছিন্ন হইয়া পৃথক পৃথক পড়িয়অ আছে এবং রোগী বহু চেষ্টাতেও তাহাদিগের একত্র সমাবেশ করিতে পারিতেছে না- সেই জন্য রোগী অত্যন্ত ছটফট করে এবং কিছুতেই নিদ্রা যাইতে পারে না।
  3. জ্ব-বিকারে আচ্ছন্নতা, প্রলাপ-বকা, জিহ্বায় পাতলা পাটকিলে বর্ণের লেপ (Brown coating), জিহ্বার মধ্যভাগ নিতান্ত শষ্ক, দাঁতে ছেদলা (Soides in teeth).
  4. বাহ্যে, প্রস্রাব, ঘম্র্মাদি সকল স্রাবই দুর্গন্ধযুক্ত (all discharges fetid) নিঃস্বাসে পর্যন্ত দুর্গন্ধ থাকে।
  5. অত্যন্ত দুর্গন্ধময় বলক্ষয়কারী উদরাময়।
  6. রোগী যে ভাবে শয়ন করুক না কেন যে পাশ চাপিয়া শোয়, বোধ করে সেই দিক যেন থেৎলিয়া গিয়াছে অর্থাৎ অত্যন্ত বেদনানুভব করে।
  7. কঠিন দ্রব্য গিলতে অক্ষমতা।

Sunday, August 23, 2015

Aurum Metalicum (এরাম মেটালিকাম)

Aurum Metalicum (এরম মেটালিকাম)
Characteristic Symptoms (চারিত্রিক লক্ষণ)ঃ
  • উপদংশজনিত অস্থির পীড়া- বিশেষতঃ সেই সঙ্গে পারদের অপব্যবহার হইলে অধিকতর উপযোগী।
  • নাসিকার অস্থির ক্ষত (Caries of nasal bones)
  • নাসিকারন্ধ্রে ক্ষত (Ozoena)
  • অস্থি বা পেরি-অষ্টিয়মে বেদনা-রাত্রিকালে তাহার বৃদ্ধি ।
  • মানসিক অবসাদ ও বিষন্নতা (melancholy), জীবনে নৈরাশ্য (Weary of life) মনে মনে সদাই আত্ম-হত্যার ইচ্ছা ও সেই ভাবনায় অস্থির (harassed with thought of committing suicide)।
  • চক্ষু পীড়ায় বেদনা- যেন চক্ষুর বহির্ভাগ হইতে আরম্ভ হইয়া অভ্যন্তর প্রদেশে চালিত হয়, চক্ষু স্পর্শ মাত্রই বেদনার বৃদ্ধি।